ইউনেস্কো-কে ধন্যবাদ জানিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা রামপুরহাটে, সামিল জনপ্রতিনিধি থেকে প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা

ইউনেস্কো-কে ধন্যবাদ জানিয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা রামপুরহাটে, সামিল জনপ্রতিনিধি থেকে প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা

প্রীতম দাস রামপুরহাট :-

বাংলা ও বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো আসতে আর খুব বেশি দেরি নেই। তার আগেই দুর্গাপুজো নিয়ে আজ মেগা শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর। কারণ গত বছরের শেষ দিকে বাংলার মুকুট জুড়েছে আরও এক নতুন পালক। বাংলার দুর্গাপুজোকে হেরিটেজ হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে ইউনেস্কো।

সেই স্বীকৃতি পেয়ে আপ্লুত বাংলা এবং বাঙালী। এদিন সেই স্বীকৃতি লাভস্বরূপ ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানিয়ে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শোভাযাত্রা বের হয় রাজ্যের প্রতিটি প্রান্তে। এদিন রামপুরহাট মহকুমা শহরেও সেই শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। এদিনের শোভাযাত্রায় পা মেলান বিধানসভার ডেপুটি স্পীকার আশিষ বন্ধ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও ছিলেন মহকুমা শাসক সাদ্দাম নাভাস, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধীমান মিত্র, রামপুরহাট পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত সহ অন্যান্য আধিকারিক ও বিশিষ্টব্যক্তিবর্গ। এদিনের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা রামপুরহাট পৌর ময়দান থেকে পাঁচমাথা, কামারপট্টী হয়ে ভাঁড়শালা মোড়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা ছাড়াও ছিলেন শহরের বিভিন্ন পুজো কমিটির সদস্যরা।

অন্যদিকে কলকাতায় দুপুর দুটোয় জোড়াসাঁকো থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়েছে। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির তোরণের সামনে থেকে শুরু হয়ে গিরিশ পার্ক-চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ-ডোরিনা ক্রসিং-রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ হয়ে রেড রোড শেষ হয়েছে শোভাযাত্রা। সেই শোভাযাত্রার পুরোভাগে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ইউনেস্কোর প্রতিনিধিরা।

বলা যেতেই পারে আজ থেকে শুরু হয়ে গেল দুর্গাপুজোর ‘সেলিব্রেশন’। এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রী টুইটে লেখেন, ” দুর্গাপুজো একটা আবেগ। সব সংকীর্ণ বেড়াজাল টপকে দুর্গাপুজো সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে। শিল্পের সঙ্গে আধ্যাত্মিকতার একটি মেলবন্ধন ঘটে দুর্গাপুজোয়। এটাই তো এই উৎসবের মাহাত্ম। আর এ জন্যই ইউনেস্কোকে আরও একবার আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই। দুর্গাপুজোকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাংস্কৃতিক হেরিটেজের তকমা দেওয়ার জন্য আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এই উৎসবকে সফল করে তুলতে এ রাজ্যের মানুষের যে ভালোবাসার শ্রম সামিল রয়েছে, তাকে সম্মানিত করার জন্য ইউনেস্কোকে কুর্নিশ জানাচ্ছি।’

 

আরো পড়ুন