কাঁকরতলা পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজ নাবালিকাকে উদ্ধার করে তুলে দেওয়া হয় বিহার পুলিশের হাতে

কাঁকরতলা পুলিশের তৎপরতায় নিখোঁজ নাবালিকাকে উদ্ধার করে তুলে দেওয়া হয় বিহার পুলিশের হাতে

শেখ ওলি মহম্মদ :-

বীরভূম জেলার কাঁকরতলা পুলিশের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, জনসংযোগ এবং বিস্তৃত জালে আটকে পড়ল প্রতারনার ফাঁদে পা দেওয়া নাবালিকা সহ অভিযুক্ত যুবক।বিবরণে জানা গেছে বিহার রাজ্যের বাঁকা জেলার চন্দন থানা এলাকার নাবালিকা সঞ্জু কুমারী কে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ফুসলিয়ে নিয়ে চলে আসে বীরভূমে।অভিযুক্ত ব্যক্তি নরেশ দাস ঝাড়খণ্ড রাজ্যের জারমুন্ডি থানার ধামনা গ্রামের।গাড়ি ড্রাইভার হিসেবে ঝাড়খণ্ড থেকে বিহার নিয়মিত গাড়ি নিয়ে যাতায়াত ছিল,সেখান থেকে প্রেমের ফাঁদে পড়ে বাড়ি ছেড়ে বীরভূম জেলার কাঁকরতলা থানার হজরতপুরে অস্থায়ী বাড়িতে ওঠে এবং স্থানীয় এক ইঁট ভাটায় ইঁট তোলার কাজে যুক্ত হয়ে পড়ে।নাবালিকার মাথায় সিন্দুর দেখে অন্যন্যরা সন্দেহের চোখে দেখতে থাকে এবং কানাঘুষা চলতে থাকে।ইতিমধ্যে কাঁকরতলা থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে একযোগে ইঁট ভাটায় ও বাড়িতে হানা দিয়ে দুজন কে থানায় নিয়ে আসে। কাঁকরতলা থানার ওসি জহিদুল ইসলাম তাদের সাথে কথা বলে সমস্ত তথ্য জেনে নিয়ে বিহার ও ঝাড়খণ্ড রাজ্যের উক্ত দুই থানার আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করেন।সেখান থেকে জানতে পারেন নরেশ দাস বিবাহিত এবং তার স্ত্রী স্থানীয় থানায় স্বামীর নিঁখোজ অভিযোগ করে, সেই সাথে অন্যকোন মহিলাকে বিয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করে। অন্যদিকে নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে ও নিখোঁজের অভিযোগ করেন তাদের স্থানীয় থানায়।আজ রবিবার বিহার রাজ্যের নন্দন থানা থেকে আগত আধিকারিকের কাছে কাঁকরতলা পুলিশের হাতে ধৃত নরেশ দাস ও নিঁখোজ থাকা নাবালিকা সঞ্জু কুমারীকে(১৪ বছর) তুলে দেওয়া হয়।কাঁকরতলা পুলিশের অতি তৎপরতায় অভিযুক্ত সহ নিখোঁজ নাবালিকাকে উদ্ধার কাজের জন্য বিহার পুলিশের পক্ষ থেকে সাধুবাদ ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

আরো পড়ুন