খুষ্টিগিরীতে ঈদ উল আযহা’ র নামাজ |

সেখ রিয়াজুদ্দিন,বীরভূম:- আজ বৃহস্পতিবার সমগ্র দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে ঈদ- উল- আযহা।অনুরূপ বীরভূমের পাড়ুই থানার খুষ্টিগিরীতে হজরত আব্দুল্লাহ কেরমানী (রহঃ) এঁর মাজার শরীফ প্রাঙ্গণে সকাল ৭ ঘটিকায় পবিত্র ‘ঈদ উল আযহা’র নামাজ অজস্র মানুষের সমাগমে অনুষ্ঠিত হয়।

খুষ্টিগিরী দরগাহ শরীফের মোতাওয়াল্লী ও সাজ্জাদানেশীন পীর হজরত সৈয়দ শাহ হাফিজুর রহমান কেরমানী এই পবিত্র ঈদ উল আযহা প্রসঙ্গে বলেন―ঈদ-উল-আযহা উৎসব ― ত্যাগ, সংযম ও আত্মদানের উৎসব। ইব্রাহিম (আঃ) আল্লাহতালার আদেশ পালন তথা সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য নিজ প্রিয় পুত্র ইসমাইল(আঃ) কে কোরবানী করতে উদ্যত হয়েছিলেন।

তাঁর আচরণে প্রমাণিত হয়েছিল পুত্রের ভালোবাসা থেকেও আল্লাহতালার প্রতি ভালোবাসা বড়। তাঁরই মহান ত্যাগের স্মৃতিতে মুসলিম জাতি প্রতি বছর ১০ই জিলহজ্জ্ব ঈদ-উল-আযহার নামাজ পাঠ করেন ও নিজ নিজ গৃহে পশু কোরবানী করেন। কোরবানীর পশুর গলায় ছুরি দেওয়ার আগে নিজেদের মধ্যে গুপ্ত পশুত্বের গলায় ছুরি দিতে হবে; বিসর্জন দিতে হবে কাম-ক্রোধ-লোভ-মোহ-পরনিন্দা-পরশ্রীকাতরতা। মানবতাবোধ-শৃঙ্খলাবোধ ও সম্প্রীতি রক্ষায় হতে হবে সচেষ্ট। তবেই সার্থক হবে উৎসর্গের উৎসব ― কোরবানী।

ঈদ-উল-আযহার নামাজ শেষে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গ্রামের ও দূর দুরান্তের পুণ্যার্থীরা হজরতকে সালাম ও শ্রদ্ধা জানান। একে অপরকে হাতে-হাত মিলিয়ে ও বুকে-বুক মিলিয়ে প্রীতি বিনিময় করেন। হজরত সাঈয়েদেনা শাহ আব্দুল্লাহ কেরমানী (রহঃ) ও তাঁর বংশধরগনের মাজার শরীফ ভক্তেরা জিয়ারত করেন, দোয়া-আশীর্বাদ চেয়ে নিজ নিজ বাড়ি ফিরে যান।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আজকের ঈদ উৎসব পালিত হওয়ায় মসজিদের ইমাম শামসের আলম সাহেব দরগাহ শরীফের পক্ষ থেকে সকলকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।একান্ত সাক্ষাৎকারে খুষ্টিগিরী দরগাহ শরীফের কেরমানীয়া খানকাহ শরীফের মোতাওয়াল্লী ও সাজ্জাদানশীন সৈয়দ শাহ মহম্মদ হাফিজুর রহমান কেরমানী ঈদ- উল- আযহা সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ দেন।

আরো পড়ুন