পর্যটকদের কোভিড পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, প্রশাসনের পদক্ষেপে কি বলছে তারাপীঠ মন্দির কমিটি

পর্যটকদের কোভিড পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, প্রশাসনের পদক্ষেপে কি বলছে তারাপীঠ মন্দির কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদন : জেলার করোনা সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নমুখী। এই গ্রাফ নিম্নমুখী হওয়ায় জেলার বাসিন্দারা বর্তমানে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। করোনা গ্রাফ নিম্নমুখী হওয়ার সাথে সাথে শুরু হয়েছে আনলক পর্যায়। এমত অবস্থায় বীরভূমের একাধিক পর্যটন কেন্দ্রে ইতিমধ্যেই পর্যটকের আগমণ ঘটতে শুরু করেছে। তবে পর্যটকদের আগমনে যাতে পুনরায় করোনা গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হয়ে না পড়ে তার জন্য কঠোর বিধিনিষেধের পথে হাঁটলো বীরভূম জেলা প্রশাসন।

সোমবার বীরভূম জেলা প্রশাসনের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, বীরভূমের ৩ পর্যটনকেন্দ্র শান্তিনিকেতন, কঙ্কালীতলা এবং তারাপীঠে আগত পর্যটকদের বেশ কিছু বিধিনিষেধ মানতে হবে কঠোর ভাবে। এই সকল বিধিনিষেধের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ। পাশাপাশি কোভিড বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে মেনে চলা ইত্যাদি।

বীরভূম জেলা প্রশাসনের তরফে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে বীরভূমের এই ৩ পর্যটন কেন্দ্রে যে সকল পর্যটকরা আসবেন তাদের করণা র‍্যাপিড টেস্ট করা হবে। যেসকল পর্যটকদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে তারাই এসকল পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে প্রবেশ করতে পারবেন। কারোর রিপোর্ট পজিটিভ এলে তাকে আইসোলেশনে পাঠানো হবে।

এর পাশাপাশি আগত পর্যটকদের ভ্যাক্সিনেশন হয়েছে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখা হবে কো-উইন অ্যাপের মাধ্যমে। পাশাপাশি দেখা হবে তারা মাস্ক, স্যানিটাইজার, হ্যান্ডওয়াশ অথবা এই সংক্রান্ত অন্যান্য সামগ্রী বহন করছেন কিনা।

এই সমস্ত বিষয় তদারকি করার জন্য বীরভূমের ৬ জায়গায় চেক পোস্ট করা হয়েছে। যে ৬ জায়গায় চেকপোস্ট বা কিয়স্ক করা হয়েছে সেই জায়গাগুলি হল বোলপুর ব্লকের কাশিপুর বাইপাস, জামবুনি টোল ট্যাক্স পয়েন্ট, কঙ্কালীতলা মন্দিরের কাছে একটি কিয়স্ক এবং রামপুরহাট ব্লকের ফুলিরডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের কাছে, আটলা এবং বালিয়া মোড়ে।

এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেন তারাপীঠ মন্দির কমিটির সদস্যরা। তাদের দাবি, প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষকে কিছুটা আতঙ্কিত পড়লেও যে ভাবে দিনের পর দিন করোনার ঢেউ আছড়ে পড়ছে তাতে প্রশাসনের এই তৎপরতা প্রশংসনীয়।

তারা আরও জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে হয়তো পর্যটক সংখ্যা কিছুটা হলেও কম হবে কিন্তু মন্দির একেবারে বন্ধ করে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত হয়তো আর নিতে হবে না। আমরাও চাই মন্দির একেবারে বন্ধ না হয় অল্প সংখ্যক পর্যটক নেই মন্দির খোলা থাক।

আরো পড়ুন