পুজোর মরশুমে ঘর ও বস্ত্র হারা হলো, অজয় নদীর জলচ্ছাস বৃদ্ধির কারণে নানুরের একধিক গ্রাম বাসিন্দারা

পুজোর মরশুমে ঘর ও বস্ত্র হারা হলো, অজয় নদীর জলচ্ছাস বৃদ্ধির কারণে নানুরের একধিক গ্রাম বাসিন্দারা

রাস্তা-ঘাট-মাঠের জলস্তর নীচে গেলেও তারা সাথে নষ্ট করে দিয়েছে ,জমি সহ শষ্য কাঁচাপাকা ঘর বাড়ি সহ ভেঙে গেছে । একই সাথে গেছে ঘরবাড়ির সামগ্রী,সহ পড়নের বস্ত্র সহ একধিক নথিও। এমনকী গ্রামের বাসিন্দাদের একাংশ জানাচ্ছে তাদের গৃহপালিত পশুর মৃতু হয়েছে।
একদিকে শহরের অনান্য মানুষের পুজোর নতুন বস্ত্র কিনেতে ব্যাস্ত অপরদিকে এই গ্রামের এক কাপড়ে দিন কাটাচ্ছে।
এমনিতেই অনুব্রত মন্ডল ত্রান পৌঁছে দিয়েছে ক্ষোদ পরিদর্শন গেছিল
এমনকী জেলা শাসক ও পুলিশ সুপার ঘটনা স্থলে সরজমিনে উপস্থিত ছিলেন বিপর্যস্ত মোকাবিলার টিম সহ শুক্রবার ।
তবে শনিবার জলস্তর নীচে নামতে দুর্যোগের ও ক্ষয় ক্ষতির হৃদিশ মিলছে স্থানীয়দের কাছে।
নানুর বিধানসভার অন্তর্গত সন্দুর পুরের বাসিন্দা লক্ষী দাস জানান যে, সরকার দেওয়া ঘর কাঁচা থেকে পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছিলাম জমিজমা বিক্রি করে। তৈরি করেছিলাম, কিন্ত বৃষ্টির জলে যা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার থেকে বেশিরভাগ জল ছেড়ে আমদের গ্রাম ডুবিয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেছে।
এমনকী অনুব্রত মন্ডল ও ডিভিসি জল ছাড়া বিষয় নিয়ে বিজেপি-র সরকার কে দায়ী করে ছিল। তারপর থেকে সাধারণ গ্রাম বাসিন্দারা সেই শুরে অভিযোগ তুলছে বিজেপি-র দিকে।

তবে এই প্রশ্ন কতটা যর্থাথ তা নিয়ে কিন্ত সংশয় থেকে যায়।

সবশেষে গুলাব সাইক্লোন প্রকোপের টানা বৃষ্টিপাত ও নদীর জলচ্ছাস বৃদ্ধির কারণে। পুজোর মরশুমে বস্ত্র হারা ভাঙা ঘরবাড়ি নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন গুনচ্ছে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে তার আশায়।
এছাড়া ও কৃষি দপ্তরের রিপোর্ট থেকে জানা গেছে লাভপুর ,কীর্ণাহার, নানুর বিভিন্ন এলকার ১০০ হেক্টর চাষ জমির শষ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এবার শুধুমাত্র দেখার উপায়, যে কতদিন সরকারী সহয়তা মিলে সাধারণ গ্রাম বাসিন্দাদের সেই আশা তে দিন গুণছে।

আরো পড়ুন