পুলিশ দিবস উদযাপনে একাধিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি রামপুরহাট পুলিশের

পুলিশ দিবস উদযাপনে একাধিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি রামপুরহাট পুলিশের

প্রীতম দাস রামপুরহাট:-

রাজ্য পুলিশ পরিবারের প্রতি বিশেষ সম্মান জানাতে ১লা সেপ্টেম্বর দিনটিকে “পুলিশ দিবস” গত বছরই ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সমাজের সুরক্ষা বলয় তৈরি করার পাশাপাশি অতিমারি কালেও রাজ্যে পুলিশের মানবিক মুখ দেখা গেছে। করোনা মোকাবিলার অক্লান্ত পরিশ্রম, দুঃস্থদের খাবার পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে মুমূর্ষু রোগীকে রক্তদান, সব জায়গাতেই পুলিশের মানবিক দিক নজরে এসেছে।

গোটা রাজ্যের সাথে বীরভূম জেলা জুড়ে পালিত হচ্ছে পুলিশ দিবস। এদিন বীরভূম জেলা ট্রাফিক পুলিশের তরফ থেকে রামপুরহাট শহরে বাইক সহ বিভিন্ন ধরনের পুলিশ গাড়ির নিয়ে একটি সুসজ্জিত শোভাযাত্রা বের হয়। এদিনের শোভাযাত্রার পুরোভাগে উপস্থিত ছিলেন রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সায়ন আহমেদ ও রামপুরহাট থানার আইসি ত্রিদিব প্রামানিক সহ রামপুরহাট থানার অন্যান্য আধিকারিকরা।

এদিনের শোভাযাত্রায় সেভ ড্রাইভ সেফ লাইফ এবং ট্রাফিক সচেতনতা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবগত করা হয়। রামপুরহাট পুলিশ “পুলিশ দিবস” উদযাপনে একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পথচলতি মাস্কবিহীন ব্যক্তিদের মাস্ক দেওয়ার পাশাপাশি, হেলমেটবিহীন বাহক আরোহীদের মাস্ক ও হেলমেট তুলে দেওয়া হচ্ছে রামপুরহাট থানা ও রামপুরহাট ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে। অন্যদিকে একটি ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজনও করা হয়েছে। এছাড়াও বিকাল দিকে রামপুরহাট পৌর মার্কেটের উপর তলায় মাদক বিরোধী সচেতনতা বিষয়ে একটি আলোচনা শিবির অনুষ্ঠিত হওয়ার কথাও রয়েছে।

বাংলার পুলিশকে একসময় স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের সঙ্গে তুলনা করা হত। কিন্তু এখন স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে এ রাজ্যের পুলিশ। গতবছর নবান্নে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এভাবেই রাজ্য পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে তাঁদের সম্মান জানাতে বিশেষ একটি দিন ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‌শিক্ষকদের জন্য বিশেষ দিন রয়েছে, নারীদের জন্য বিশেষ দিন রয়েছে। আর যারা আমাদের জন্য প্রাণও দিতে পারেন, তাঁদের জন্য কিছু করা হবে না?‌’‌ তাই গত বছর থেকে ১লা সেপ্টেম্বর দিনটি পুলিশ দিবস হিসাবে পালিত হচ্ছে।

আরো পড়ুন