বড়দিনের আগেই উধাও তীব্র ঠান্ডা, কি বলছে হাওয়া অফিস

বড়দিনের আগেই উধাও তীব্র ঠান্ডা, কি বলছে হাওয়া অফিস

নিজস্ব প্রতিবেদন : হাওয়া অফিসের তরফ থেকে আগেই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল ১৫ ডিসেম্বর থেকে জাঁকিয়ে শীত লক্ষ্য করা যাবে বাংলা জুড়ে। সেই পূর্বাভাস কি সত্যি করে গত সপ্তাহের শুক্রবার থেকে নিম্নমুখী হয় তাপমাত্রার পারদ। সোমবার তাপমাত্রার পারদ এতটাই নিম্নমুখী হয় যে শৈত্যপ্রবাহের আবহ তৈরি করে। তবে দিনদুয়েক যেতে না যেতেই বড়দিনের আগে উধাও হলো সেই তীব্র ঠান্ডা।

গত রবিবার রাজ্যের ১১টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সর্তকতা জারি করে হাওয়া অফিস। এইসকল জেলাগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি শীত লক্ষ্য করা যায় বীরভূমে। যেখানে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে দাঁড়িয়েছিল ৭.১ ডিগ্রী সেলসিয়াস। সোমবারের পর মঙ্গলবার তাপমাত্রার পারদ বাড়ে ৩°। মঙ্গলবার সেই তাপমাত্রার পারদ বেড়ে দাঁড়াল ১০.৮ ডিগ্রি।

একইভাবে তাপমাত্রার পারদ বৃদ্ধির লক্ষ্য করা গিয়েছে কলকাতা সহ শহরতলিতেও। আলিপুর হাওয়া অফিসের রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছে, বুধবার দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ১° কম হলেও গত দু’দিনের তুলনায় তাপমাত্রা হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়েছে ২ ডিগ্রি।

এখন প্রশ্ন হল বড়দিনেও কি এই ভাবে তাপমাত্রার ঊর্ধ্বমুখী প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে? হাওয়া অফিসের তরফ থেকে আগামী সাত দিনের যে আবহাওয়া সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, শীত বিলাসীদের এবার বড়দিনে জাঁকিয়ে শীত অধরাই থাকতে পারে। আগামী ২৪ ঘন্টা রাজ্যের বাসিন্দারা জাঁকিয়ে শীত উপভোগ করতে পারবেন বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। এরপরে আরও তাপমাত্রা বাড়বে বলে অনুমান করছেন হাওয়াবিদরা।

কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে, উত্তর পশ্চিম ভারতে পরপর দুটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রয়েছে। এর প্রভাবেই ঊর্ধ্বমুখী হবে তাপমাত্রা। কারণ এই দুই পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে উত্তুরে হাওয়া আটকে যাবে। এর পাশাপাশি। বাংলাদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। এর প্রভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গে।

আরো পড়ুন