বন্যা পরিস্থিতি রুখতে বাঁশলই নদীবাঁধ পরিদর্শন, থাকছে আগাম প্রস্তুতিও

বন্যা পরিস্থিতি রুখতে বাঁশলই নদীবাঁধ পরিদর্শন, থাকছে আগাম প্রস্তুতিও

প্রীতম দাস :-

বঙ্গে বর্ষা আসতে ঢের দেরি। তবে কালবৈশাখী জের অল্পস্বল্প বৃষ্টি হচ্ছে প্রায়ই দিনই। সরকারি নির্দেশে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি রুখতে বর্ষার আগেই আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে বীরভূম জেলা প্রশাসন। জেলার ঝাড়খণ্ড সীমানা সংলগ্ন বীরভূমের মুরারই-১ ব্লকের ওপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে বাঁশলই নদী। এদিন বেলা নাগাদ নদী পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পরিদর্শনে এল স্থানীয় ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। পরিদর্শনকারী দলে ছিলেন বির্পযয় ব্যাবস্থাপন দপ্তর ও ভুমি ও ভুমি সংস্কার দপ্তরে আধিকারিক সহ মুরারই থানার আধিকারিক।

কারণ প্রতি বর্ষায় অতি বর্ষণ এবং জলাধার থেকে নাগাড়ে জল ছাড়ার জেরে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অংশে বন্যার আশঙ্কা প্রবল হয়। এমনকি অতীতে দেখা গিয়েছে,
টানা বৃষ্টির জেরে এমনিতেই দক্ষিণবঙ্গের বিশেষ করে নিম্ন দামোদর অববাহিকা অংশের নদীগুলি ছিল টইটম্বুর। তার উপরে জলাধার থেকে জল ছাড়ার পরিমাণ বাড়তে থাকায়, জলস্তর বেড়েছিল ঝাড়খণ্ড সীমানা সংলগ্ন বীরভূমের মুরারই-১ ব্লকের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া পাগলা, সরবতী ও বাঁশলই নদীর। কোথাও নদীর জল বাঁধ উপচে আবার কোথাও বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ অংশ প্লাবিত হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ফলে এবছর বর্ষায় বন্যা পরিস্থিতি যাতে অবনতি না হয় তা, সরজমিনে খতিয়ে দেখতে নদী, নদীবাঁধ পরিদর্শন বলে জানা গিয়েছে প্রশাসন সুত্রে। পাশাপাশি অভিযোগ ছিল নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার, এবিষয়েও খতিয়ে দেখেন পরিদর্শনকারী দল। তবে নদী সংলগ্ন এলাকায় বাসিন্দাদের নিরাপদে থাকার আগাম সর্তকতা দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতিতে সবরকম সর্তকতা নেওয়া হচ্ছে প্রশাসন তরফে।

আরো পড়ুন