বাইকের চোরাকারবারি রুখল রামপুরহাট পুলিশ, ধৃত ২

বাইকের চোরাকারবারি রুখল রামপুরহাট পুলিশ, ধৃত ২

প্রীতম দাস রামপুরহাট :-

ফের বড়সড় সাফল্য পুলিশের। এবার বাইক চোরাকারবারি সাথে অভিযুক্ত পাণ্ডারা রামপুরহাট মহকুমা পুলিশের জালে। গত ২৭ তারিখ পুলিশি অভিযানে মাড়গ্রাম থেকে আটক করা হয় শিফন সেখ নামে এক যুবক। পরে ফের আটক আর এক অভিযুক্ত। ধৃত যুবকের নাম কিরণ সেখ। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত যুবকের বাড়ি মুরারইয়ের গোপালপুর গ্রামে।

পুলিশ সুত্রে খবর, কদিন আগে গোপন সুত্র মারফত জানা যায় বিভিন্ন জায়গা থেকে চোরাই করা বাইক একটি নির্দিষ্ট জায়গা রাখা হয়েছে। পরে ওই বাইক গুলির ইঞ্জিন নম্বর এবং বাইকের নম্বর প্লেট বদলে সেগুলিকে সস্তায় বিক্রি করা হচ্ছে। সেই খবর পাওয়া মাত্র গত ২৭ তারিখ পুলিশের একটি দল হানা দেয় সেখানে। এরপরই সেখানে বাইক সহ ধৃত শিপন সেখ। পাশাপাশি উদ্ধার হয় ৭টি চোরাই বাইক। পুলিশি জেরায় সে চুরি কথা স্বীকার করে, দীর্ঘদিন ধরে এমন চোরা কারবারি চলছে সেবিষয়ে মুখ খোলেন তিনি। পাশাপাশি এই চক্রের আরও অভিযুক্ত কিরণ সেখকে আটক করা হয়। ধৃত শিপন সেখ পুলিশি জেরায় কিরণ সেখের কথা বলে, সেই মোতাবেগ তাকেও গ্রেফতার করা হয়।

ধৃত কিরণ শেখের বাড়ি মুরারইয়ের গোপালপুর গ্রামে হলেও অধিকাংশ সময় সে শ্বশুরবাড়ি পাইকরের লম্বাপাড়া গ্রামেই থাকত। এদিন তার শ্বশুরবাড়িতে হানা দিয়েও চোরাই বাইক উদ্ধার হয় বলে পুলিস জানিয়েছে। ইত্যিমধ্যেই ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।

এনিয়ে রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধীমান মিত্র বলেন, এই বাইক গুলি বিভিন্ন জায়গা থেকে চুরি করে, পরে তা সস্তায় সেকেণ্ডহ্যাণ্ড বাইক হিসাবে বিক্রি করত ধৃত কিরণ সেখ ও শিপন সেখ । ধৃত দুই যুবককে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের হদিশ পেতে চাইছে পুলিশ। পুলিসের ধারণা, শুধু আন্তঃজেলাই নয়, এদের সঙ্গে আন্তঃরাজ্য পাচারচক্রের চাঁইরাও যুক্ত থাকতে পারে। তাই কিরণকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হবে বলে পুলিস জানায়।

আরো পড়ুন