বিশালাকৃতির অজগর, গ্রামে ঢুকতেই শোরগোল

বিশালাকৃতির অজগর, গ্রামে ঢুকতেই শোরগোল

নিজস্ব প্রতিবেদন : অজগর! তাও আবার বিশালাকৃতির! গ্রামে ঢুকতেই শোরগোল পড়ে গেল শোরগোল। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এই শোরগোল পড়লে খবর দেওয়া হয় জাতীয় বন্য জীব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর সদস্য তথা অজয়পুর হাইস্কুলের শিক্ষক দীনবন্ধু বিশ্বাসকে। খবর পেয়ে তিনি সেই অজগরটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। পরে বনদপ্তরের সহযোগিতায় পুনর্বাসন দেওয়া হয়।

বিশালাকৃতির এই অজগর সাপটি এলাকায় ঢুকে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বীরভূমের সিউড়ি থানার অন্তর্গত খটঙ্গা গ্রামে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাপটি এলাকায় ঢুকে যায়। লোকালয়ে এমন একটি বিশালাকৃতির অজগর ঢুকে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়ায়। তবে এলাকার বাসিন্দারা সচেতন হওয়ায় এই সাপটির কোন ক্ষতি করেননি। পরিবর্তে তারা জাতীয় সাপটিকে সুষ্ঠুভাবে উদ্ধার করে পুনর্বাসন দেওয়া সম্ভব হয় তার জন্য দীনবন্ধু বিশ্বাসকে খবর দেন।

গতকালই অজগরটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় এবং শুক্রবার সকালেই তাকে পুনর্বাসন দেওয়া হয়। শুক্রবার সকালে পুনর্বাসন দেওয়ার আগে অজগরটিকে নিয়ে আসা হয় সিউড়ির ফরেস্ট অফিসে। সেখান থেকেই বনদপ্তরের কর্মীদের সহযোগিতায় অনুকূল পরিবেশে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পুনর্বাসন দেওয়া হয়। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সাপটি সম্পূর্ণ সুস্থ থাকায় দ্রুততার পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জাতীয় বন্য জীব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ব্যুরোর সদস্য দীনবন্ধু বিশ্বাস জানিয়েছেন, “অজগরটি মূলত খাবারের সন্ধানে এলাকায় প্রবেশ করেছিল। এই অজগরটি একটি স্ত্রী অজগর। এটি লম্বায় ৮ ফুট এবং ওজনে প্রায় ১০ কেজি।”

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বেশ কয়েক মাস ধরে বীরভূমের বিভিন্ন এলাকা থেকে একের পর এক অজগর উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এই সকল অজগরের মধ্যে অধিকাংশই উদ্ধার হয়েছে বীরভূমের সিউড়ি এবং দুবরাজপুর সহ পার্শ্ববর্তী এলাকায়। কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া এইসকল প্রতিটি অজগরকে উদ্ধার করে সুষ্ঠুভাবে পুনর্বাসন দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

আরো পড়ুন