ভাদুলিয়া গ্রামের প্রাচীন দূর্গা পূজা উপলক্ষে আলোচনা

ভাদুলিয়া গ্রামের প্রাচীন দূর্গা পূজা উপলক্ষে আলোচনা

সেখ রিয়াজউদ্দিন বীরভূম:- গ্রাম্য পরিবেশে হয়ে আসা দুর্গাপূজার সেকাল , একাল ও বর্তমান করোনার প্রাক্কালে আসন্ন দূর্গা পূজা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসলেন বীরভূমের খয়রাশোল ব্লকের নাকড়াকোন্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভাদুলিয়া গ্রামের ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপূজা মন্ডলীর সদস্যবৃন্দ।জানা যায় গ্রামের সমস্ত পরিবার এই পুজোর আয়োজন যুক্ত থাকেন।প্রতি বছর পালা করে করে পুজোর দায়িত্ব পালন করেন।পূজার কয়েকদিন সমস্ত কিছু ভেদাভেদ ভূলে গ্রামবাসীরা এক পরিবার হয়ে ওঠেন,ছোট,বড়ো সকলেই মিলে আনন্দ আনন্দে মেতে ওঠে। দীর্ঘ বছরের পর বছর ধরে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে পালিত হয়ে আসছে এই দুর্গাপূজা।গ্রামের প্রবীন ব্যাক্তিদের মুখে শোনা গেল একদা দূর্গা পূজা ঘিরে দূর্দশার করুন কাহিনী। তৎকালীন
দুর্গা মন্দিরটি ছিল মাটির এবং খড়ের চাল দিয়ে তৈরি। পরবর্তীকালে অভাব অনটনের মধ্যে দিয়ে ও গ্রামবাসীরা তিল তিল করে মন্দিরটি কংক্রিটের রূপ দেন। তবে মন্দির তৈরী হলে ও দুর্গাপুজো করার ক্ষেত্রে দেখা দেয় আর্থিক অনটন।নিয়ম রক্ষার্থে নমঃ নমঃ করে কোনো ভাবে পালিত হচ্ছিল পূজা।
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গাপূজা কমিটিগুলিকে ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়া হচ্ছে। সেই সহযোগিতার পরিপ্রেক্ষিতে কমিটির বেড়েছে মনোবল, পূজা ঘিরে বিভিন্ন অনুষ্ঠান সহ সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আনন্দের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।সেই কথা শোনালেন গ্রামের পক্ষে পতিত পাবন মন্ডল।
পাশাপাশি এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবী শ্রীমন্ত মুখার্জী বলেন মুখ্যমন্ত্রী সবার মুখে হাসি ফোটাতে বা দুঃখ ঘোচাতে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন, সেই রূপ পূজা কমিটিগুলো কে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। করোনা বিধি তথা সরকারি বিধিনিষেধ মেনে এবং শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রেখে যেন পূজা পার্বন অনুষ্ঠিত হয় সে নিয়ে গ্রামবাসী সহ সকলে মিলে আলোচনা করা হয়।

আরো পড়ুন