ভাষা দিবসে সিউড়ি শৃঞ্জনের নিবেদন – “বাংলায় জেগে রই”

ভাষা দিবসে সিউড়ি শৃঞ্জনের নিবেদন – “বাংলায় জেগে রই”

“বাঙালির পণ, বাঙালির আশা, বাঙালির কাজ, বাঙালির ভাষা–
সত্য হউক, সত্য হউক, সত্য হউক হে ভগবান ॥”
সোমবার সন্ধ্যায় সিউড়ি সিধু কানহু মঞ্চে ভাষা দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদ বেদি তে পুস্পাঞ্জলি নিবেদন
করেন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক অরিত্র চক্রবর্তী, সাংবাদিক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়, হেমাভ সেনগুপ্ত প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে অন্যতম আকর্ষণ সিউড়ি শৃঞ্জন সাংস্কৃতিক সংস্থার নিবেদন – “বাংলায় জেগে রই” ।নৃত্যার্পনের পরিচালনায় মৌমিতা বিষ্ণু ।

বীরভূম জেলা তথ্য সংস্কৃতি ও সংস্কৃতি আধিকারিক অরিত্র চক্রবর্তী বলেন, ‘প্রতি বছরের মত চিরাচরিত ঐতিহ্য মেনে যথা যোগ্য মর্যাদায বীরভূম জেলা তথ্য সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে পালিত হল আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।”
ভাষা দিবসের তাৎপর্য ব্যাখা করেন সুশান্ত রাহা।তিনি বলেন, ‘মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা’।আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা সৈনিকদের বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই। মাতৃভাষায় সকলে উজ্জীবিত হোক।”
অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন সুপ্রিয়া ঘোষাল সম্প্রদায়।
একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সহ পশ্চিমবঙ্গ তথা সমস্ত বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনগণের গৌরবোজ্জ্বল একটি দিন। এটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবেও সুপরিচিত। বাঙালি জনগণের ভাষা আন্দোলনের মর্মন্তুদ ও গৌরবোজ্জ্বল স্মৃতিবিজড়িত একটি দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৫২ সালের এই দিনে (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮, বৃহস্পতিবার) বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর পুলিশের গুলিবর্ষণে অনেক তরুণ শহীদ হন। তাদের মধ্যে অন্যতম হলো রফিক, জব্বার, শফিউল, সালাম, বরকত সহ অনেকেই। তাই এ দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। ৫ই আগষ্ট, ২০১০ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়।বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ২৬.৫ কোটি মানুষ বাংলা ব্যবহার করেন।

আরো পড়ুন