মাস্ক নিয়ে পুলিশি অভিযান রামপুরহাটে

মাস্ক নিয়ে পুলিশি অভিযান রামপুরহাটে

প্রীতম দাস রামপুরহাট :-

এখনও রয়েছে ‘লকডাউন’। রেল পরিষেবা সচল না হলেও রাজ্যের দ্বিতীয় পর্যায়ের লকডাউনে ক্ষেত্র বিশেষে মিলেছে ছাড়। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের দৈনিক হার এই মূহুর্তে নিম্নমুখী। সুতরাং রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলা সহ বীরভূমে দৈনিক সংক্রমণ কমেছে। অন্যদিকেএখনও আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে। তবে এই সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে আবার কিছু নিয়ম মেনে চলতেই হবে। কিন্তু তা আদতে হচ্ছে না। তার মধ্যে অন্যতম হল মাস্ক। মাস্ক না পরেই অনেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন পথে-ঘাটে। কোনও বিধিনিষেধ মানছেন না। নাগরিকদের এমনই উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে বীরভূমের রামপুরহাটে। ফলে আবারও হুহু করে সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এবার তাই জনগণকে মাস্ক পড়ার বিষয়ে মাইকিং করে সর্তক রামপুরহাট থানার পুলিশ।

এদিকে রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতিদিনই দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা কমছে। গত ২৪ ঘন্টায় রামপুরহাট স্বাস্থ্য জেলায় নতুন করে কোনো আক্রান্তের খবর নেই। তবে বাজার থেকে দোকান, অটো-বাস— দূরত্ব বিধি শিকেয়। মুখে মাস্ক থাকছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে বারবার সচেতন করা হলেও, উদাসীন মনোভাব নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বহু মানুষ। এমন অসচেতন নাগরিকদের মাস্ক ‘পরাতে’ কোমর বেঁধে নামল রামপুরহাট থানার পুলিশ। মাস্ক পরার প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে মাইকে প্রচার করল রামপুরহাট থানার পুলিশ। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, সচেতনতা বাড়াতে নিয়মিত ভ্যান ঘুরবে শহরে।

লকডাউন ঘোষণার শুরুতেই বাড়ির বাইরে বেরোলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করে রাজ্য সরকার। মাস্ক না পরলে জরিমানা-সহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। তারপরেও অবশ্য হুশ ফেরেনি নাগরিকদের একাংশের। রামপুরহাটে নানা এলাকায় অনেককে মাস্ক ছাড়াই রাস্তায় বেরোতে দেখা যাচ্ছে। হাটে-বাজারেও ভিড় উপচে পড়ছে। মাস্ক ব্যবহার করার জন্য রামপুরহাট রেলপার সংলগ্ন বাজারে চালানো হয় পুলিশি অভিযান। পাশাপাশি মাস্ক না থাকায় ৫ জনকে আটকও করে রামপুরহাট থানার পুলিশ। পরে অবশ্য সতর্ক করে দেওয়া হয় আটক ব্যক্তিদের।

আরো পড়ুন