মেয়ের হবু বর বলে কথা, ৩৬৫ রকমের খাবার রেঁধে খাওয়ালেন শাশুড়ি

মেয়ের হবু বর বলে কথা, ৩৬৫ রকমের খাবার রেঁধে খাওয়ালেন শাশুড়ি

নিজস্ব প্রতিবেদন : শ্বশুরবাড়িতে জামাই আদর হবে না, এটা কি কখনো হয়ে থাকে। শাশুড়িরা মূলত জামাইকে ভালো-মন্দ খাইয়ে জামাইয়ের মন জয় করতে চান। জামাইকে এই ভালো মন্দ খাওয়ানোর জন্য বাড়িতে জামাই আসবে এমনটা শুনেই শাশুড়িরা তড়িঘড়ি শুরু করে দেন ব্যস্ততা।

জামাই কি খেতে ভালোবাসেন সেটা জেনে শাশুড়িরা তৈরি করতে বসেন নানান ধরনের পদ। এসবের মধ্যে থাকে মাছ, মাংস, বিরিয়ানি, পোলাও পোস্ত ইত্যাদি। হিসাবের কারণে একে বলা হয়ে থাকে জামাই আদর। তবে সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশের এক শাশুড়ি যেভাবে তার হবু জামাইকে আদর করেছেন তা দেখে রীতিমতো চোখ কপালে উঠেছে প্রত্যেকের।

ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের পৌষ সংক্রান্তি খুব নিষ্ঠা সহকারে পালন করা হয়ে থাকে। ঠিক তেমনি এই দিনটি পালন করা হয়ে থাকে অন্ধপ্রদেশে। এমনকি সেখানে এই দিন অতিথিদের নিমন্ত্রণ করে খাওয়ানোর একটি রেওয়াজ রয়েছে। সেইমতো পশ্চিম গোদাবরী এলাকার একটি পরিবার তাদের পরিবারের হবু জামাইকে নিমন্ত্রণ করে খাওয়ানোর বন্দোবস্ত করেন। যেখানেই দেখা যায় খাবার টেবিলে ৩৬৫ রকমের পদ।

খাবার টেবিলে থাকা এই ৩৬৫ রকমের পদে ছিল ৩০ রকমের কারি, নানা রকম পেস্ট্রি, ১০০ রকমের মিষ্টি, ১৫ রকমের আইসক্রিম, ১৯ রকমের ভাজা, ৩৫ রকম কোল্ড ড্রিংক এবং ৩৫ রকম বিস্কুট। এছাড়াও ছিল আরও একাধিক খাবার। সঙ্গে ছিল ভাত, বিরিয়ানি, পুলিহোরা-সহ বিভিন্ন আইটেম। এই এত রকমের খাবার সাজানোর জন্য তিনটি টেবিলের দরকার হয়ে ওঠে। এত রকমের পদ দেখিয়ে হবু জামাই কোনটা ছেড়ে কোনটা খাবেন তা ভেবেই রীতিমতো চক্ষু ছানাবড়া।

ওই হবু জামাইয়ের শাশুড়ি মাধবী জানিয়েছেন, “বছরের প্রথম দিন থেকেই যাতে জামাইয়ের ভালো ভাবে সবকিছু কাটে তার জন্য এই ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পাশাপাশি এই দিন আমরা মেয়ের আশীর্বাদের অনুষ্ঠানটিও সেরে ফেলি।”

https://youtu.be/sz5jsWIQJ_M

এত রকমের খাবারের এই ভিডিওটি হবু কনের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা হয়। জানা যাচ্ছে ওই হবু কনে পেশায় একজন ইউটিউবার। ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড হওয়ার পর ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওতে লক্ষ্য করা গিয়েছে, হবু শাশুড়ি জানিয়েছেন জামাইকে এত ধরনের খাবার খাওয়াতে পেরে খুশি।

আরো পড়ুন