রামপুরহাটে ভবঘুরেদের একবেলা খাওয়ানোর উদ্যোগ নিলেন একটি স্বেচ্ছাসেবি সংস্থা।

প্রীতম দাস রামপুরহাট :-

দেশজুড়ে আছড়ে পড়া করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব শক্তিপীঠ তারাপীঠে। মন্দির বন্ধের জন্য সরকারি কোনো নির্দেশিকা জারি না হলেও, জনশূন্য তারাপীঠ মন্দির চত্ত্বর। যে মন্দিরে প্রতিদিন প্রায় হাজার হাজার পূর্ণ্যাথীর ভিড় জমে, সেখানে একেবারের জনশূন্য চিত্র ধরা পরেছে। আর এই মন্দির ঘিরেই কার্যত রুজিরোজগার হয় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। টোটো থেকে শুরু করে, খাবারের দোকান, ফুলের দোকান সহ পুজোর সামগ্রীর দোকান সবারই ব্যবসা নির্ভরশীল এই তারামন্দির কে কেন্দ্র করে। কিন্তু তারাপীঠে পূর্ণ্যাথীদের আনাগোনা না থাকায় বিপাকে পড়েছে এখানকার স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সকলেই।

এদিকে ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তার বাড়িয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে ট্রেন বন্ধ ঘোষণায়।
কারণ পূর্ণ্যাথীদের একটা বিরাট অংশ তারাপীঠ আসেন ট্রেনে। এবার বন্ধ থাকছে ট্রেন। ফলে তারাপীঠে আসছে না পূর্ণ্যাথীরা। আর নিয়ে আরও একবার দুশ্চিন্তার জালে জড়িয়ে পড়েছেন তারাপীঠের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এলাকার ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, তারাপীঠ রাজ্য ছাড়িয়ে দেশের বিভিন্ন প্রদেশে বিশেষ পরিচিত। প্রতিদিনই রাজ্য সহ রাজ্যের বাইরে থেকে পর্যটকদের আনাগোনা লেগে থাকে। যেহেতু রামপুরহাটে সাথে ট্রেন পরিষেবা উন্নত, সেহেতু তারাপীঠে বছরভর পর্যটকদের ভিড় থাকে।

প্রায় এক বছর বন্ধ থাকার পর সবকিছু যখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছিল, ঠিক সেই সময়ই নয়া এই নির্দেশিকায় ফের সমস্যায় পড়লেন তারা। এই প্রসঙ্গে এলাকার ব্যবসায়ীরা জানান, ‘এবার কিভাবে সংসার চলবে তা বুঝতে পারছি না। এই মন্দির কে কেন্দ্র করেই সংসার চলে। এভাবে মন্দির যদি জনশূন্য হয়ে পড়ে তাহলে আগামীতে কিভাবে চলব জানি না।’

আরো পড়ুন