রামপুরহাট এলাকায় অনুমোদনপ্রাপ্ত পুজোকমিটিগুলোকে চেক বিতরণ থানা চত্ত্বরে

রামপুরহাট এলাকায় অনুমোদনপ্রাপ্ত পুজোকমিটিগুলোকে চেক বিতরণ থানা চত্ত্বরে

প্রীতম দাস রামপুরহাট :-

গোটা বাংলাজুড়ে এখন সাজোসাজো রব। কারণ আর কটা দিন পরেই বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব দূর্গাপুজো। তবে এবারের পুজো অন্যান্যবারের থেকে আরও জাঁকজমকপূর্ণ হতে চলেছে কারণ বাংলার দুর্গাপুজো এবারে “ঐতিহ্য”-র তকমা দিয়েছে ইউনেস্কো। গত মাসের ২৪ তারিখ পুজোকমিটি গুলোকে নিয়ে বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি ঘোষণা করেন রাজ্যের প্রায় ৪৩ হাজার অনুমোদন প্রাপ্ত পুজোকমিটিকে ৬০ টাকা অনুদান সহ বিদ্যুৎ বিলের ওপর ৬০ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে।

মুখ্যমন্ত্রীর আগাম ঘোষণা মত, এদিন রামপুরহাট থানা চত্বরে ১৪৫ টি পুজো কমিটিকে দুর্গাপূজোর অনুদানের চেক প্রদান করা হয় । উপস্থিত ছিলেন মহকুমাশাসক সাদ্দাম নাভাস, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধীমান মিত্র, রামপুরহাট থানার আধিকারিক দেবাশীষ চক্রবর্তী, রামপুরহাট পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত, আই.এন.টি.টি.ইউ.সি-র জেলা সভাপতি ত্রিদীপ ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য আধিকারিক এবং জনপ্রতিনিধিরা।

এদিন অনুমোদিত ১৪৫ টি দুর্গাপূজা কমিটির সদস্যদের নিয়ে প্রশাসনিক ও সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার পর এদিন অনুমোদিত ১৪৫ টি পুজো কমিটির হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়। দুর্গাপূজো ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে পৃথিবীর মানচিত্রে স্থান অধিকার করেছে । সেই লক্ষ্যে সমগ্র বাংলা জুড়ে এবারে দুর্গাপূজোর আড়ম্বরতা ফুটে উঠবে । সম্প্রীতিকে বজায় রেখে আন্তরিকতার মেলবন্ধনে এবারের দুর্গাপুজো মধুর হয়ে উঠুক এই কামনা করে সকলেই । বিভিন্ন পুজো কমিটির হাতে শুধু চেক তুলে দেওয়ার পাশাপাশি পুজোয় করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয় । পুজো প্যান্ডেল থেকে শুরু করে ভাসান সম্পর্কিত বিভিন্ন দিকের খুঁটিনাটি নিয়ে উল্লেখ করেন রামপুরহাট থানার আইসি দেবাশীষ চক্রবর্তী।

আরো পড়ুন