লকডাউনে খাবার বিতরণের কর্মসূচি কাঁকড়তলা থানার পুলিশের

লকডাউনে খাবার বিতরণের কর্মসূচি কাঁকড়তলা থানার পুলিশের

কাঁকড়তলা এলাকার আশ্রয়হীন দের লকডাউন চলাকালীন নিয়মিত খাবার তুলে দিতে মানবিক উদ্যোগ নিল কাঁকড়তলা থানা। অতীতে অর্থ্যাৎ গতবছর লকডাউন জারি ছিল ২ মাসেরও বেশি সময় ধরে। সেই সময় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সবচেয়ে করুণ অবস্থা চোখে পড়েছিল কাঁকড়তলা সংলগ্ন এলাকার আশ্রয়হীন ও কাজ না থাকায় বহু মানুষ নিজের অন্নসংস্থান করতে পারছেন না সে সমস্ত মানুষের কথা ভেবে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে দুঃস্থদের মধ্যে খাবার পরিবেশন শুরু করলো কাঁকড়তলা থানার পুলিশ। লকডাউন জারি হলেই যেহেতু মানুষজন বাইরে বেরোয় কম, তাছাড়াও বন্ধ থাকে পরিবহন পরিষেবা, ফলে এমদবস্থায় প্রায় অনাহারে দিন গুজরানের মত অবস্থা হয় এই আশ্রয়হীনদের।

গত বছরের সেই ভয়াবহ অবস্থা আজও সজাগ। তবে গত বছরে পুলিশ প্রশাসন সহ অনেক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও কয়েকশো মানুষের মুখে খাবার তুলে দিয়েছিল। সেবছর লকডাউন চলা পর্যন্ত প্রায় দীর্ঘ সময় ধরে এই কর্মসূচি চালিয়ে নিয়ে গেছিলেন তাদের নিজেদের উদ্যোগে।

এবারের লকডাউনে বীরভুম জেলা পুলিশের তরফে এমন মানবিক উদ্যোগ চলছে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায়। পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে এদিন সেই উদ্যোগে সামিল হয়েছে কাঁকড়তলা থানা। এদিন থানার পক্ষ থেকে কাঁকড়তলা এলাকায় থাকা ২০০ জন দুস্থ মানুষদের দুপুরের আহারের ব্যাবস্থা করা হয়। উপস্থিত ছিলেন ও সি জাহিদুল ইসলাম সহ কাঁকড়তলা থানার পুলিশ।

এবিষয়ে কাঁকড়তলা থানার ও সি জাহিদুল ইসলাম জানান, আমারা প্রতিদিন দুপুরে স্টেশনে থাকা ২০০ জনকে খাবার দেব। যতদিন লকডাউন চলবে আমরা এটা চালিয়ে যাব। পাশাপাশি শহরের মানুষজনকেও প্রয়াসে সামিল হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। ভালো সাড়া মিলেছে বলেও জানান তিনি। তবে এই প্রয়াস লকডাউন ওঠা পর্যন্ত চালিয়ে নিয়ে যাতে পারবেন বলেও আশাবাদী তিনি।

আজ প্রথম দিনের খাবারের মেনুতে ছিল ভাত, ডাল,আলুভাজা, সবজি,ও ডিমের কারি আগতদের দেওয়া হয়েছিলো মাস্ক। বীরভুম জেলা পুলিশের পাশাপাশি কাঁকড়তলা থানার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। অন্যদিকে পুলিশের এমন উদ্যোগে খুশি আশ্রয়হীন ভবঘুরে মানুষেরাও।

আরো পড়ুন