শিল্পীদের সরাসরি রাজনৈতিক মঞ্চে অংশগ্রহণ,বিরুপ ভাবে দেখছেন ক্যাকটাসের সিধু দা।

শিল্পীদের সরাসরি রাজনৈতিক মঞ্চে অংশগ্রহণ,বিরুপ ভাবে দেখছেন ক্যাকটাসের সিধু দা

 

বোলপুর-২৫ জুলাই: বোলপুর শান্তিনিকেতন সফরে দুই দিনের জন্য,খ্যাতনাম দুই সঙ্গীত শিল্পি সিধু (সিদ্ধার্থ রায়)ও পটা (অভিজিৎ বর্মন) ক্যাঈটাসের দুই সদস্য।
এদিন তাদের কর্মসূচী ছিল বিগত ডের বছরে শান্তিনিকেতন বাউলেরা ব্যাপক বিপর্যস্ত। তাদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যে উপস্থিত ছিলেন একয় সাথে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রি প্রদান করে বাউল শিল্পীদের সোনাঝুরি খোয়াই হাটে।
দ্বিতীয় দিনে ইলামবাজার দারোন্দা এলকার আদিবাসী ক্ষুদে পড়ুয়ারাদের বেশ কিছু সামগ্রি বিতরণ করে। ও তাদের সাথে সময় কাটান।

এরপর আনন্দবাজার অনলাইন কে প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী সিধু দা,বর্তমান রাজনৈতিক দলে সংযুক্ত হচ্ছে একঝাক তারকা তা নিয়ে বেশ কিছু মতামত প্রকাশ করেন।
সাথে এক বিষয়ে মতামত জানান ক্যকাটাসের আর এক সদস্য ও সঙ্গীত শিল্পী পটা ওরফে অভিজিৎ বর্মন।

বর্তমান রাজনৈতিক পেক্ষাপট শিল্পীর জন্য এজায়গা থেকে উপযুক্ত নয়। যে রাজনিতী দাবি করছে শিল্পীরা তাদের একটা মেরুকরণ হয়ে যাক,তাহলে যেন রাজনৈতিকরাও নিশ্চিন্ত। ও সেই মেরুকরণে পার্টিশিপেট করে শিল্পীরা নিজেরাও সিক্রোয়র বলে মনে করেছে। পলিটিক্যাল একটা নিউট্রল জায়গা থেকে শিল্প চর্চা করা। সেই জায়গা টা হয়তো কিঞ্চিত কঠিন হয়েছে ।যারা যারা ওপেনলি পলিটিক্যাল ইন্টিমেন্ট চলে এসেছেন ।কেউ অ্যাক্টিভলী পলিটিকিশ করছেন,কেউ সমর্থনের জায়গা থেকে করেছেন। তারা এক-একটি ছাতা খুঁজে নিয়েছেন। কিন্ত আমার মতো অনেক শিল্পী রয়েছেন যারা ঠিক একধরনের ছাতা তে প্রবেশ করেনি। তো তাদের জন্য একটু লড়াই টা আরও একটু কঠিনত্বর হয়েছে।
তিনি আরও জানান, চিরকাল শিল্প, ইতিহাস,বা সভাকবি হোক সবাইকে ক্ষমতা তাদের কে দখল করে নিতে চেয়েছে। কিন্ত এই যে শিল্পীর একটা শিল্পের প্রতি দায়বদ্ধতা। এবং এই যে অন্য কোনো পেশি শক্তি হোক বা রাজনৈতিক ক্ষমতার কাছে আমি কোনোরকম ভাবে মাথা নওয়াবো না। এই যে দায়বদ্ধতা একটা শিল্পীর থাকা দরকার। আমি বলবো সেটার বেশি অভাব হচ্ছে। এবং সেটার বেশি অভাব হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহল থেকে তার ফায়দা তোলা হচ্ছে।
যে কোনো মানুষের রাজনৈতিক সমর্থন থাকে তবে, একজন শিল্পীর সারসারি রাজনৈতিক প্রবেশ আমার অভি রুচির মধ্য পড়ে না। আমি আমার শিল্পী কর্মের মধ্য দিয়ে কাজ করতে চায়।

একই সাথে সঙ্গীত শিল্পী পটা দা; বলেন বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি যা তৈরি হয়েছে,সেখানে স্বচ্ছ ভাব মুর্তি নিয়ে কজকরটা প্রয়োজন। যে কোনো শিল্পীর ব্যাক্তিগত স্বাধীনতা আছে তাই তারা দলে অংশগ্রহণ করতে পারেন। তবে শিল্পীর শিল্প সত্তা কাছে দায়বদ্ধতা থাকা অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ।

২ শিল্পীর মত বর্তমানে রাজনৈতিক দলের সক্রিয় সদস্য হয়ে যাচ্ছে একঝাক তারকা তা নিয়ে তিনি অন্যভাবে দেখছেন এই বিষয়কে। শিল্পী সিধু বলেছেন উনার ব্যক্তিগত ভাবে রাজনৈতিক ছাতার তলায় যেতে নারাজ। সে যে কোনো রাজনৈতিক সংগঠন হোক না কেন।পেশি শক্তি বা রাজনৈতিক শক্তি শিল্পী সত্ত্বা কে গ্রাস করতে চায়।
এই মতামত প্রকাশ করেন বোলপুর থেকে আনন্দবাজার অনলাইন কে।

আরো পড়ুন