সুন্দরবন থেকে অক্সিজেন নিয়ে নানুরের খাঁ বাড়িতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

সুন্দরবন থেকে অক্সিজেন নিয়ে নানুরের খাঁ বাড়িতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

সুন্দরবন থেকে নানুর মানুষের পাশে থেকে নিরলস ভাবে আর্ত মানুষের জন‍্য কাজ করছে ক‍্যানিং সন্ধি ও টি সি এফ।আজ বীরভূমের নানুর থানার মড্ডা গ্রামে একজন ফুসফুস ক‍্যানসারের পেশেন্ট মুকবুল খাঁ বাড়িতে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিল ওই দুটি স্বেচ্ছাসেবি সংস্থার কর্মীরা।গত কয়েকদিন যাবৎ বর্ধমান মেডিকেলে ভর্তি থাকার পর বাড়িতে অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে পেশেন্টকে রাখতে হবে বলে ডাক্তারবাবুরা পরামর্শ দেন এবং সেই অনুযায়ী হাসপাতাল থেকে ছুটি দেয়।নানুরের প্রত‍্যন্ত গ্রামে অক্সিজেন সিলিন্ডার না পাওয়াই সোশ্যাল মিডিয়াই ক‍্যানিং সন্ধির কথা জানতে পেরে রোগীর পরিবারের লোকজন সন্ধির বোলপুর শাখার অন‍্যতম পরিচালক দিপালী থান্দারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং অক্সিজেন এর সাহায্যের জন‍্য আবেদন করেন।ওই আবেদন সাড়া দিয়ে রোগীর বাড়িতে অক্সিজেন পৌঁছে দিল সংস্থার কর্মীরা।শুধু মুমূর্ষু রোগীকে অক্সিজেন দিয়ে সাহায্য করাই নয় সংস্থার অন‍্যতম সদস‍্য দিপালী থান্দার জানান-” গরীব দুস্ত ও আদিবাসী ছাত্র ছাত্রীদের পর্যাপ্ত পুষ্টি ও শিক্ষা প্রদানের কাজ নিরলসভাবে চালিয়ে যাচ্ছে ক‍্যানিং সন্ধি ও টরেন্টো কলকাতা ফাউন্ডেশন।ওই দুই সংস্থার যৌথ উদ্যোগে বোলপুর শান্তিনিকেতনের মকরমপুর বাগানপাড়ায় “রবিচ্ছায়া” নামে একটি স্কুল গড়ে উঠেছে।যেখানে প্রতিদিন প্রাথমিক ও মাধ‍্যমিক স্তরের 90 জন ছেলে মেয়েকে লেখাপড়ার ও স্বনির্ভর করে তোলার দায়িত্ব পালন করছে আমাদের এই সংস্থা দুটি।করোনা সংক্রমণের কারণে কয়েকদিন ছেলেদের পঠন পাঠনের কাজ বন্ধ থাকলেও প্রতিদিন ওই 90 জন ছেলে মেয়েকে একবেলা করে পুষ্টিকর খাবার ( ভাত,ডাল ও পুষ্টিকর সবজি বা ডিম) দেওয়া হয়।লকডাউনে কাজ হারিয়েছে ওই ছেলে মেয়েদের অভিভাবক রা।কিন্তু ওদের ছেলে মেয়েদের খাবার ও বস্ত্রের যাতে কোনো সমস‍্যা না হয় সেই চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে সন্ধি।এছাড়াও এই এলাকায় অনেক সামজিক কাজে যুক্ত হয়েছে আমাদের এই সংস্থা দুটি।আদিবাসী পাড়ায় মাটির দেওয়াল পেন্টিং করার কাজ শেখানো হয় এখানকার ছেলে মেয়েদের।বৃক্ষ রোপন,প্ল‍্যাস্টিক মুক্ত পরিবেশ গঠন,মহিলাদের স্বাস্থ্য সচেতনতা,বিভিন্ন দিবস উদযাপন ইত‍্যাদি কাজ প্রতিনিয়ত করে থাকে সন্ধি ও টি সি এফ।এমনকি এই দুই সংস্থার পক্ষ থেকে মকরমপুর বাগানপাড়ায় একটি আদিবাসী মহিলা ফুটবল টিমের কোচিং ও ছেলে মেয়েদের শরীরশিক্ষা ও ক‍্যারাটে প্রশিক্ষণের ও ব‍্যবস্থা করা হয়েছে।আমরা এতো কাজ করতে পারি এই সংস্থার অসংখ্য কর্মী ও শুভানুধ‍্যায়ী ব‍্যক্তির নিঃস্বার্থ ভালোবাসায়।অনেক সাথী তারা দূরদূরান্ত থেকে তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।”

আরো পড়ুন