সেঞ্চুরি পার স্বাধীনতা সংগ্রামীর, ব্যান্ড বাজিয়ে শেষ যাত্রা

সেঞ্চুরি পার স্বাধীনতা সংগ্রামীর, ব্যান্ড বাজিয়ে শেষ যাত্রা

শেখ ওলি মহম্মদ :-

দুবরাজপুরের রঞ্জনবাজারের বাসিন্দা কৈলাসপতি গুপ্তা বার্ধক্যজনিত কারণে গতকাল দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০২ বছর। তিনি ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী। আমাদের ভারতবর্ষ যখন স্বাধীন হয় তখন তিনি প্রথম সারিতে ছিলেন। ৭ পুত্র সন্তান ও ৭ কন্যা সন্তান এবং নাতি নাতনিদের নিয়ে ছিল তাঁর সংসার। শুধু যে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন তাই নয়, তিনি একজন সমাজসেবী ও সংগঠক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ বাদ্যযন্ত্র সহযোগে এবং খোল করতালের মাধ্যমে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। তিনি ছিলেন ঠাকুর সত্যানন্দ দেবেন শিষ্য। তাই তাঁর মরদেহ দুবরাজপুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ আশ্রমের মন্দিরে আনা হয়। সেখানে তাঁকে পুষ্প স্তবক দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান আশ্রমের শীর্ষসেবক স্বামী সত্যশিবানন্দ মহারাজ। তিনি ছাড়াও তাঁকে পুষ্প স্তবক দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান দুবরাজপুর থানার ওসি আফরোজ হোসেন, দুবরাজপুর পৌরসভার প্রশাসক পীযূষ পাণ্ডে সহ আরো অনেকে। এদিন তাঁর চতুর্থ পুত্র জয়প্রকাশ গুপ্তা বলেন, আমার বাবা একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। তিনি ঠাকুর সত্যানন্দ দেবের তিনি একজন ভক্ত ছিলেন। তাই তাঁর মরদেহ এখানে নিয়ে আসা হয়। পাশাপাশি স্বামী সত্যশিবানন্দ মহারাজ জানান, কৈলাস পতি গুপ্তা আজ চলে গেলেন। তিনি ছিলেন আমাদের আশ্রমের প্রাচীন ভক্ত। তাঁর চলে যাওয়াতে অপূরণীয় ক্ষতি হল।

আরো পড়ুন