হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের নলহাটি ২ নং ব্লকে প্রচার করলেন তৃনমূল কংগ্রেস প্রার্থী চিকিৎসক অশোক চ্যাটার্জি।

আগামী ২৯ এপ্রিল বীরভূম –সহ আরও কয়েকটি জায়গায় বিধানসভা নির্বাচন হবে। এটা অবশ্য একেবারে শেষ দফায় পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনী প্রচার চলছে গোটা বীরভুম সহ সর্বত্র। তার মধ্যে বিশেষ নজর কেড়েছে বীরভূমের হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্র। কারণ এখানে ত্রিমুখী লড়াই হলেও দীর্ঘদিন বিরোধী দলের বিধায়ক রয়েছেন। ফলে এখানে এখনও অবদি তৃণমূল কংগ্রেসের ঘাসফুক ফোটেনি। তবে দলে এবারে বিধানসভা নির্বাচনে হাঁসন কেন্দ্রে ঘাসফুল ফোটাতে বদ্ধপরিকর। তাই এবারে এখানে প্রার্থী হিসাবে টিকিট দেওয়া হয়েছে এলাকার বিশেষ পরিচিত স্বনামধন্য চিকিৎসক ডা. অশোক চ্যাটার্জি। যিনি অত্যন্ত পরিচিত মুখ এবং সকলেরই কাছে ভগবানতুল্য বলাই যায়। এখানে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এখানে প্রার্থী দিয়েছে ঠিকই, তবে সেভাবে কোনো সুবিধা হবে না বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

এখানে প্রচার থেকে একটা উল্লেখযোগ্য বিষয় সামনে এসে পড়েছে। গতবারের কংগ্রেসের প্রার্থী বিধায়ক হিসাবে হেভিওয়েট। পাশাপাশি এবারের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীও হেবিওয়েট প্রার্থী। তিনি গত বিধানসভায় সিউড়ী কেন্দ্র থেকে জিতে ৫ বছরের বিধায়ক ছিলেন। এবারে দল তাকে হাঁসন কেন্দ্র টিকিট দিয়েছে। তবে এলাকায় তার চিকিৎসক হিসাবে আলাদা নাম রয়েছে।

হাঁসন বিধানসভায় সব দলের প্রার্থীরা প্রচারে নেমেছেন তবে অভিনবত্বের দিক থেকে অনেকটা এগিয়ে আছেন তৃনমুল কংগ্রেস প্রার্থী চিকিৎসক অশোক চ্যাটার্জি। আর এবার অভিনব প্রচার করতে দেখা তাকে। কিন্তু কী সেই অভিনব প্রচার?‌ প্রতিদিন প্রচারে বেরিয়ে প্রচার এর মাঝেও রোগী দেখতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন ডাক্তারবাবু। যা দেখে এলাকাবাসী আপ্লুত। অন্যদিকে আজ হাঁসন বিধানসভা কেন্দ্রের নলহাটি ২ নং ব্লকের অন্তর্গত বারা-লোহাপুর অঞ্চলের উত্তর রামপুর, ডেঠিয়া, চক ভবানীপুর সহ শুকরাবাদ গ্রামে, হুডখোলা খোলা জিপে প্রচার সারেন। আবার কখনও পায়ে হেঁটে স্থানীয় নেতৃত্ব ও অসংখ্য কর্মীসমর্থকদের ভোট প্রচার করলেন তৃনমূল কংগ্রেসর প্রার্থী চিকিৎসক অশোক চ্যাটার্জী। উত্তর রামপুর গ্রাম থেকে একটি প্রচার মিছিল বের হয়ে মিছিলটি শুকরাবাদে গ্রামে শেষ হয়।প্রচারের শেষে এদিন শুকরাবাদ তিনমাথামোড়ে একটি স্ট্রীট কর্নার করেন, অশোক চ্যাটার্জী। প্রচারে পুরোভাগে কর্মীদের উচ্ছ্বাস ও ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

নির্বাচনী প্রচারে সাধারণ মানুষ চিকিৎসা করছেন, ঠিক তেমনি এলাকার নানান সমস্যার কথাও শুনছেন তিনি। সাধারণ মানুষেরা ডাক্তারবাবু কে কাছে পেয়ে হাত মিলিয়ে সম্বোধন করছেন। এলাকার মানুষের এমন সাড়া পেয়ে স্বভাবতই তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।

আরো পড়ুন