হেলমেট না পড়ার ফাইনের টাকায় অনাথ আশ্রমের শিশুদের বিরিয়ানি খাওয়ালো বীরভূমের বাইকার অ্যাসোসিয়েশন।

হেলমেট না পড়ার ফাইনের টাকায় অনাথ আশ্রমের শিশুদের বিরিয়ানি খাওয়ালো বীরভূমের বাইকার অ্যাসোসিয়েশন।

হেলমেট না পড়ার জরিমানার টাকা জমিয়ে অনাথ আশ্রমের শিশুদের বিরিয়ানি খাওয়ালো বীরভূমের একটি বাইকার অ্যাসোসিয়েশন। বাইক দাদাদের কাছে বিরিয়ানি খেয়ে খুশি আশ্রমের শিশুরা।

বিভিন্ন সামাজিক কাজে নিজেদের জড়িয়ে রাখার উদ্দেশ্যে বীরভূম জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বাইক চালকরা মিলে গড়ে তোলেন একটি বাইকার্স অ্যাসোসিয়েশন। বোলপুর, শান্তিনিকেতন ছাড়িয়ে ইলামবাজার, সাঁইথিয়া, মোহাম্মদবাজার, সিউড়ি, রাজনগর, দুবরাজপুর প্রভৃতি এলাকার বিভিন্ন বাইক চালক এই অ্যাসোসিয়েশনের সাথে যুক্ত। তবে শুধু বাইক চালিয়ে অভিযান করায় নয়, সমাজের বিভিন্ন ভালো কাজে নিজেদের জড়িয়ে রাখার উদ্দেশ্যে সারাবছরই নানান কর্মকাণ্ড যোগ দিয়ে থাকেন এই সদস্যরা। তবে সবকিছুই নিজেদের সুরক্ষিত রেখে। বাইক চালালে হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক এই সংগঠনের অন্যতম কড়া আইন। নিয়ম ভাঙলেই গুনতে হবে জরিমানা। হেলমেট না পড়ে ধরা পড়লে দলের সদস্যদের একহাজার টাকা, পরিচালন সমিতির ২৫০ টাকা ও দলের যারা নেতা তারা ধরা পড়লে গুনতে হবে ৫০০ টাকা। এভাবেই নিয়ম করা হয়েছে। এযাবত যারা নিয়ম ভেঙেছেন তাদের রাস্তার বিভিন্ন প্রান্তে ধরে ছবি তুলে নিজেদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠিয়ে আদায় করা হয়েছে জরিমানার টাকা। এভাবেই প্রায় সাত হাজার টাকা জমিয়ে তা বোলপুরের রায়পুর- সুপুর পঞ্চায়েতের মির্জাপুর বিবেকানন্দ আশ্রমের ৬০ জন অনাথ শিশুকে বিরিয়ানি খাওয়ালো এই বাইকারস্ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা। অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষের অরিজিৎ মাল বলেন আমাদের সংগঠনের সদস্য হতে বাইক চালানোর জন্য হেলমেট অপরিহার্য। হেলমেট বিহীনভাবে বাইক চালানোর ফলে রাজ্য ও দেশের ভিন্ন প্রদেশের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারায় প্রচুর বাইক চালক। তাই সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য আমাদের এই উদ্যোগ। যারা নিয়ম ভেঙেছেন তাদের কাছে জরিমানা আদায় করা হয়েছে পাশাপাশি করা হয়েছে সতর্কও। এক মাসে জমানো টাকায় অনাথ শিশুদের বিরিয়ানি খাইয়ে অনাবিল আনন্দ পেয়েছে আমাদের সদস্যরা।

আরো পড়ুন