শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণ। শাড়ির দোকান ছেয়েছে অযোধ্যা শাড়িতে। রাত পোহালেই অযোধ্যায় মেগা ইভেন্ট। আড়াই একর জমির ওপর তৈরি ১৬২ ফুটের দেবালয়। এঁটে গিয়েছে বারো হাতের শাড়িতে! পরলেই হল। যতবার হাওয়ায় আঁচল উড়বে, দেখা যাবে রামমন্দির ।

কী রয়েছে শাড়িতে ? আড়াই একর জমির ওপর তৈরি ১৬২ ফুটের গোটা মন্দিরটাই রয়েছে বারো হাতের এই শাড়িগুলোয়। কোথাও আঁচলে লেখা জয় শ্রীরাম, কোথাও বা রামের অস্ত্র তীর ধনুক। টকটকে কমলা, স্মিত গেরুয়া। অযোধ্যা শাড়ি কিনতে ভিড়ও কম নয়। গড়িয়াহাট, শ্যামবাজার, নিউমার্কেটে ইতিউতি ক্রেতাদের উঁকিঝুঁকি। ২২ জানুয়ারি সবাই তো আর অযোধ্যা যেতে পারছেন না। তবে উৎসবের অঙ্গ হতে এই শাড়ি বগলদাবা করেছেন অনেকেই।
রামমন্দির নিয়ে যতই রাজনীতি হোক, শাড়ি ব্যবসায়ীরা একমত, সেলিব্রেট করার জন্য নতুন উৎসব পেয়ে গিয়েছে আমজনতা। একাধিক দোকানে আবার শাড়ির সঙ্গে রয়েছে উপহার। শ্যামবাজার, হাতিবাগান, বড়বাজার, গড়িয়াহাট, নিউমার্কেটে এখন গরম কেকের মতো বিকোচ্ছে অযোধ্যা শাড়ি। নিখাদ স্যাটিন কাপড়ের তৈরি শাড়ি কিনতে আগ্রহ কম নেই। দাম মধ্যবিত্তর নাগালের মধ্যে।











