প্রীতম দাস বীরভূম:-
বাংলাদেশে ছ’মাস ধরে আটক থাকার পর অবশেষে দেশে ফিরলেন বীরভূমের পাইকর এলাকার বাসিন্দা সোনালী খাতুন। অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্যই তাঁকে বাংলাদেশি বলে সন্দেহ করা হয় এবং জোর করে পুশব্যাক করা হয়েছিল। সে সময় তিনি অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তাই আটকের সময়টি তাঁর জন্য আরও কঠিন হয়ে ওঠে।
গতকাল বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সোনালী খাতুন এবং তাঁর নাবালক ছেলেকে বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেয়। দেশে ফেরার পরই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে মালদা মেডিক্যাল কলেজের ট্রমা কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানেই প্রাথমিক চিকিৎসার পর শনিবার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে বীরভূমের পাইকর এলাকায় আনা হয়।
বর্তমানে সোনালী খাতুনকে রামপুরহাট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানান, তিনি ধীরে ধীরে সেরে উঠছেন। এই ঘটনার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, কীভাবে একজন ভারতীয় নাগরিককে এতদিন অন্য দেশে আটক রাখা হল।
প্রায় ছ’মাসের লড়াইয়ের পর শেষমেশ নিজের দেশে ফিরে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছলেন সোনালী খাতুন।






